রমজানের ভন্ডামি রমজান শেষে লুচ্ছামি

0
53

সারাজীবন যে মানুষ গুলাকে কখনো নামাজের কাতারে দেখা যায়না। এমনকি জুম্মার নামাজের তাদের কখনো দেখা যায়না।রমজান মাস আসলেই কেমন জানি পরিবর্তন লক্ষ করা যায় সেই মানুষ গুলার সভাব চরিত্রের মধ্যে। মাথায় টুপি, গায়ে পাঞ্জাবী দিয়ে সেই মানুষগুলাই তখন মসজিদের আসেপাসে দেখা যায় । এসব তো বললাম ছেলেদের কথা।

আর মেয়েরা হিজাব পড়ে বাইরে যাওয়া, কথায় কথায় আল্লাহর রাসুলের নাম নেয়া, ফেসবুকে ইসলামিক পোস্ট দেয়া, ইফতারির ছবি তুলে ফেসবুকে দেয়া। এমন কাজ দেখে সত্যি মনটা খুশীতে ভরে ওঠে। মনে হয় দুনিয়াটা নতুন করে ভালোর পথে চলতেছে। সবাই ভাল কাজে নিয়জিত হচ্ছে। আল্লাহ্‌ এর রহমত নাজিল হইছে। শুকুরিয়া জানাই মহান আল্লাহ্‌ এর দরবারে। 

কিন্তু একটা কথা না বলে পারছি না। কথাটা বলার আগে আল্লাহ্‌ এর কাছে মাফ চেয়ে নেই।

যখনি পবিত্র রমজান মাস শেষ হয়। মাথায় টুপি দেয়া সেই ছেলেটা তার আগের রুপে ফিরে যায়। মাথায় টুপি নেই, চুল এর কাটিং স্টাইলে দেখলে মনে হয়। তার মাথাটা একটা বট বৃক্ষের মত। রাস্তায় মেয়েদের দেখলে মনে চোখ দিয়ে রেইপ করতে চায়। আর মসজিদের আসে পাসে দেখা যায়না তখন সেই ছেলেটাকে। সে তখন জুম্মা মোবারকের সেলফি দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বেস্ত্য।

আর সেই মেয়েটা। হিজাব তো দুরের কথা। নিজের শরীরটা যে ওড়না দিয়ে ঢাকতে হবে ভুলেই গেছে। সেও তার চুল স্টাইলিস ভাবে কাটায়। পারলে টাইট টাইট কাপড় পরে নিজের বিশেষ কিছু অঙ্গকে উপস্থাপনে বেস্ত্য থাকে। তাই বলে সবাই একরকম না।

আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করতে চান, পক্ষান্তরে সয়তান এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসারীরা চায় যে, আমরা (আল্লাহর নিকট হতে) দূরে বহু দূরে সরে যাই। রমজান শেষে আবার যেন এসব রুপধারী মডেলদের দেখতে না হয়। যাইহোক পবিত্র মাহে রমজানের উছিলাতে এসব অসুস্থ, বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষগুলি ভালো হয়ে যাক এই আল্লাহর কাছে দোয়া করি। পবিত্র রমজান মাসের উছিলায় মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।

আমি সবাইকে এমন খারাপ বলিনি। এবং যদি কোনো ভূল বলি ক্ষমাসূলভ দৃষ্টিতে দেখবেন। 

 

 

আপনার মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here