কিভাবে সঙ্গিনীর মন জয় করবেন

0
23

কথাটা সত্যি মেয়েদের মন বোঝা বড়ই কঠিন। পুরুষ সমাজে এটা অনেক আগের প্রচলিত ধারণা। আর এখানেই যত সমস্যা এবং মন কষাকষির উৎপত্তিস্থল। এর কারনেই অনেক সম্পর্কেও ভাঙন ধরেছে। দিন রাত এককরে ঘর এবং বাইরেটা সকিছুই সমান ভাবে সামাল দিতে হয় মহিলাদের। নিজের পরিবারের কাছের প্রিয় মানুষটির থেকে তাঁর যে কিছু চাহিদা থাকে। জীবনসঙ্গী মানেই কি শুধু এই কয়েকটি ব্যাপার মেনে চলা। সম্পর্কও মধুর ও মসৃণ করতে জানতে হবে ।

আপনি একজন পুরুষ যেসব উপায় অনুসরণ করে সঙ্গিনীর মন জয় করতে পারবেন,চলুন এক নজরে দেখে আসি।

  • সত্‍‌ ও বিশ্বাসী মানুষ অতীব প্রিয় হয় নারীর। মন জয় করার ক্ষেত্রে সততার কোনও বিকল্প নেই। আপনার চরমতম ভুলও যদি মনের মানুষটির সামনে এসে আপনার ভুল স্বীকার করেন, তাও মাফও হয়ে যাবে আপনার ভুল। কিন্তু, একবার মিথ্যে প্রমাণিত হলেই আপনার সর্বনাশ। বিশ্বাসভঙ্গ কারী পুরুষেরা নারীদের একেবারেই অপছন্দনিও বেক্তি। তাই আপনার সঙ্গিনীর সামনে মিথ্যের আশ্রয় নেয়া থেকে বিরত থাকুন। যে কোন স্থায়ী সম্পর্কের ক্ষেত্রেই সততা ও বিশ্বাসটা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। কথায় আছে না বিশ্বাস এ বস্তু মিলে।
  • ভালো সম্পর্ক গড়তে চাইলে ভালো শ্রোতা হতে হবে। আগে ভালো শ্রোতা হওয়া অভ্যেস করতে হবে আপনাকে। আপনার সঙ্গিনী কি বলছেন, বা কি বলতে চাচ্ছেন সেই কথা দিয়ে শুনুন। সমস্যা গুলি বোঝার চেষ্টা করুন। মনে রাখা উচিৎ, আপনার কাছের মানুষটা আপনার কাছে থেকে সবসময় উত্তর আশা করবে না। সেও চায়, কেউ একজন থাকুক তার জন্য, যে তাঁর কথাগুলো কোনরকম বিরক্তি না হয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনবে।
  • নিশ্চয়ই ভাবছেন বড় হতে হবে, বড় আবার কীভাবে হব? তাইনা, আসলে এটা সেই বড় হওয়ার কথা নয়। বয়সের তুলনায় মহিলারা সাধারণত মানসিক ভাবে পুরুষদের থেকে বেশি তারাতারি পরিবর্তন হয়। কাজেই সম্পর্কের গ্রনহযোগ্যতা বজায় রাখতে হলে, আপনার মানসিকতা বুঝে নিয়ে তার সমান মানসিকতা সম্পন্ন হয়ে উঠতে হবে।
  • অনেকেই নিজের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ততার জেরে নিজের জীবন সঙ্গিনীর কথাটাই ভুলে যায় অনেক ক্ষেত্রেই। তবে এই কথা সত্যি অর্ধাঙ্গিনী কে বাদ দিয়ে উন্নতির উচ্চ শিখরে ওঠা কখনওই সম্ভব না। তাই যতটুক সম্বব তাঁকে সঙ্গ দেয়ার চেষ্টা করুন। ব্যস্ততার মধ্যেও কিছু সময় বের করে নিন সঙ্গিনী এর জন্য।
  • সঙ্গিনীর সাথে কোন রকম তর্ক নয়। মহিলারা অনেক সময় নিজের মতের বিরুদ্ধে কোনও কথা সহজে মেনে নিতে পারে না। আর তার থেকে বাধে ঝগড়া, সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরে / চিড় ধরে। আপনার সঙ্গিনী যে কথাটি বলতেছে, তা আপনার মতের বিরুদ্ধ হলেও, প্রথমেই তা স্বীকার করে নেবেন। কোন রকম তর্কে জরাবেন না। পরে শান্ত মাথায় যুক্তি গিয়ে আপনার বক্তব্য টুকু বোঝানোর চেষ্টা করবেন। তা ম্যাজিকের মতো কাজ করছে।

সব সম্পর্কের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা থাকবেই। এসব ছোটো খাটো দিকে নজর না দিয়ে। নিজেদের মধ্যে আন্তরিকতা বজায় রেখে যে কোন কাজের জন্য পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। যেই কাজের পরিকল্পনা সুন্দর হবে। সেই কাজে সফলতার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

আপনার মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here