ফাইভার ওয়েবসাইট কি

0
50

আপনার মনের প্রথম প্রশ্ন ফাইভার কি?
ফাইভার হচ্ছে এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে একজন সেলার সাইনআপ করে ৫ ডলারের বিনিময়ে নিজের একটি সার্ভিস আপনি একাধিকবার বিক্রয় করতে পারেন।
সেই সার্ভিসটি হতে পারে লোগো ডিজাইনিং, ট্রান্সক্রিপ্ট বানানো, ভিডিও তৈরি, ব্যাকলিঙ্ক তৈরি, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ওয়েব ডিজাইন সহ এমন আরও বেশ কিছু কাজ যা আপনি অনলাইন করতে পারবেন। এছাড়াও আরও অনেক সার্ভিস ফাইভার বিক্রয় করা যায়। আপনি আগে থেকে যদি না জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই শুনে অবাক হবেন। সোজা কথায় বলা যায় ফাইভার একদম সবার জন্যেই সার্ভিস ক্রয় / বিক্রয়ের উপযুক্ত একটি স্থান। বর্তমানে বাংলাদেশী নতুন ফ্রীলান্সারদের জন্য একটি উপযুক্ত মার্কেটপ্লেস হল ফাইভার।

ফাইভারে মার্কেটপ্লেসে একজন বিক্রেতা যে সার্ভিসটি তার ক্রেতা অথবা গ্রাহকদের জন্যে বিক্রয়ের উদ্দেশে রাখেন তাকে ফাইভারের ভাষায় গিগ বলে। ফাইভার মার্কেটপ্লেস এর জন্য আপনি  কিভাবে আপনার সার্ভিস তৈরি করবেন। এবং কিভাবে ফাইভার গিগ তৈরি করে প্রমোট করবেন। কিভাবে আপনার গিগকে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে ভালোভাবে র‍্যাংক করাবেন। ফাইভার মার্কেটপ্লেস হচ্ছে বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মার্কেট প্লেস যেখানে মাত্র পাঁচ ডলারের বিনিময়ে অনেক ভালো সার্ভিস আপনি ক্রয় এবং বিক্রয় করতে পারেন বিসজনেস প্রমোশন, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং, এডভার্টাইসমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি।

প্রথমেই ফাইভার থেকে টাকা উপার্জনের জন্যে আপনার দরকার হব একটি সার্ভিস অর্থাৎ একটা গিগ। আপনি কি ধরণের কাজ করতে পারেন? আপনি নিজে কোনো বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয় নিয়ে একটি গিগ তৈরি করে শুরু করে দিতে পারেন অথবা ফাইভার মার্কেটপ্লেসে দেয়া আছে বিভিন্ন রকম গিগ। আপনি দেখুন ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কে কি ধরনের গিগ বিক্রয় করছেন। সেখান থেকে আপনি নিজে গিগ তৈরির আইডিয়া নিতে পারেন।

  • ফাইভারে গিগ বানানর সময় আপনার কাজকে খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে উপস্থাপনের জন্য একটি সুন্দর টাইটেল ব্যাবহার করুন। যেমন I will create an AMAZING Whiteboard Animation Video only For $5.
  • কাজের সময় এবং কাজের মূল্য নির্ধারণ করুন। 3 Days $15
  • গিগের জন্যে ডেসক্রিপশন/ বিস্তারিত বিবরণ লিখা। আপনি কাজটি কিভাবে করবেন। কাজের সফলতার পরিমান কেমন। এই কাজে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন।  আপনার কাছে কাজটি দিলে একজন ক্রেতা কি কি সুযোগ সুবিধা পাবে। এসব নিয়েই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে হয় এই ডেসক্রিপশনে। 
  • নিজের গিগের জন্যে তথ্যবহুল ছবি তৈরি করা।
  • ট্যাগ/কি-ওয়ার্ডস, আপনার গিগের সাথে সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত শব্দ। 
  • ভিডিও ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার গিগের মান বাড়াতে পারেন। ভিডিও এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাজের সুবিধা অসুবিধা আলোচনা করতে পারেন। 

আগামী পোস্টে আমরা আরও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কেমন করে আপনি আপনার গিগ তৈরির পরে মার্কেটিং করবেন এবং খুব সহজে কাজ পাবেন। ততক্ষণ ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন, BDBOYZ.com এর সাথেই থাকুন।

আপনার মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here